আপনি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চাইলে কি কি গুণাবলী গুলো থাকতে হবে ।

আপনি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চাইলে কি কি গুণাবলী গুলো থাকতে হবে

 

ফ্রিল্যান্সিং সফল হতে চাইলে কিছু বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে। আপনি যে সেক্টরেই ফ্রিল্যান্সিং করুন না কেন, আপনার দক্ষতার পাশাপাশি নিম্নোক্ত বিষয়গুলো থাকলে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার সফল হয়ে উঠবে।
তাহলে আসুন দেখে নেওয়া যাক- কাজকেন্দ্রিক সাধারণ দক্ষতার পাশাপাশি সফল ফ্রিল্যান্সারে কোন কোন বিষয়গুলো জানা থাকা প্রয়োজন:

সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার যে গুনাগুন প্রয়োজন

 

১। সময়োপযোগী দক্ষতা অর্জন :

আপনি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ডিজাইনার, প্রোগ্রামার বা লেখক যাই হোন না কেন, নির্দিষ্ট কোন বিষয়ের উপর আপনার ভালো দক্ষতা থাকতে হবে।

২। সময় জ্ঞান:

কোন কাজ করতে আপনার কত সময় লাগতে পারে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। এতে করে

আপনার সকল কাজ সঠিকভাবে ভাগ করে নিয়ে কাজটি যথাযথভাবে করতে পারবেন। তাছাড়া কাজ জমা দেয়ার ব্যাপারে

সময়ানুবর্তীতা অবশ্যই প্রয়োজন।

৩। যোগাযোগের দক্ষতা:

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনাকে বিভিন্ন ধরনের মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। তাই

ইংরেজীতে দক্ষতা থাকার পাশাপাশি আপনার যোগাযোগ দক্ষতা থাকতে হবে। ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে কাজ বুঝে নেয়া ও

অন্যান্য ফ্রিল্যান্সারদের থেকে কোনো সমস্যার সমাধান পেতে যোগাযোগ দক্ষতা খুবই প্রয়োজন।

 

৪। প্রজেক্ট পরিচালনা:

সকল ফ্রিল্যান্সিং কাজেরই আলাদা আলাদা প্রজেক্ট থাকে। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার দায়িত্ব

প্রজেক্টগুলো যেন সময়মতো এবং ক্লায়েন্টের শর্ত অনুযায়ী সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়। তাই প্রতিটি প্রজেক্টের খুঁটিনাটি সকল

বিষয় সম্পর্কে আপনাকে অবগত থাকতে হবে। সাথে প্রজেক্ট পরিচালনার দক্ষতাও থাকতে হবে।

 

৫। সমস্যা নির্ণয়:

কোনো কাজ সম্পন্ন করার পর কাজের খুঁটিনাটি সবকিছু পুনরায় পরীক্ষা করতে হয়। যেন কাজটিতে

কোনো সমস্যা থেকে না যায় যা আপনার ক্লায়েন্টকে অসন্তুষ্ট করবে। নিজের কাজের ভুলগুলো নির্ণয় করতে পারাও একটি

আলাদা দক্ষতা। যা অনেক ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। বিশেষ করে যখন একা একা কাজ করবেন।

 

৬। সমস্যা সমাধানের দক্ষতা:

একজন ভালো ফ্রিল্যান্সার মানেই দক্ষ হাতে সমস্যা সমাধানকারী। ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে

সমস্যার মুখোমুখি হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার গন্ডীর ভেতরে থাকা সমস্যাগুলোর সঠিক সমাধানের

ক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

৭। দর-কষাকষির দক্ষতা :

ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো দর-কষাকষি। আপনার ক্লায়েন্ট থেকে

কাজ বুঝে নেয়া, কাজের শর্তগুলো আলাপচারিতার মাধ্যমে নির্দিষ্ট করা, নিজের চাহিদামতো পারিশ্রমিক দাবি করার দক্ষতা

আপনার থাকতে হবে। যা আপনার কাজের ভ্যালূ ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

৮। প্রচার ও প্রসার:

আপনার ফিল্যান্সিং কাজটি যদি ব্যবসায়ী ধরনের হয়, তবে ঠিকমতো প্রচার করা না গেলে এ সম্পর্কে

অন্যরা জানতে পারবে না। এতে আপনার ব্যবসার সহজে প্রসারও ঘটবে না। তাই আপনার ব্যবসার মার্কেটিং সম্পর্কে

জানতে হবে। শুধু ফিল্যান্সার হলেও আপনার যোগ্যতা ও দক্ষতার সঠিক বিবরণ ক্লায়েন্টের কাছে তুলে ধরাও প্রচার-প্রসারের

অন্তর্ভূক্ত।সকল প্রতিষ্ঠানে এসব দক্ষতার জন্য প্রতিটি সেক্টরে আলাদা আলাদা লোক নিয়োগ দেয়া হয়।

কিন্তুফ্রিল্যান্সারদেরকে একাই উক্ত কাজগুলো করতে হয়। তাই ফ্রিল্যান্সিংকে একদমই সহজ করে দেখার কোনো উপায় নেই।

বরং যোগ্যতা অর্জন করার

উপর আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের সফলতা নির্ভর করে।

cpa marketing bangla blog

outsourcing in uttara

Share This Post

Post Comment